ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর (জাস্ট নিউজ) : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, দেশবাসীর দাবি একটাই আর তা হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। তিনি বলেন, সরকারকে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। আর সেই নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ। সম্ভাব্য ওই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, তা হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেছেন, আসুন আমরা জাতীয় ঐক্যের রাজনীতি করি। হিংসা, হানাহানি, বিভেদ থেকে বেরিয়ে এসে দেশের উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করি। দেশ গড়ার রাজনীতি করি।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, আমরা সারা দেশে দল গোছানোর কাজ শুরু করেছি। যারা দলের প্রতি আনুগত্যশীল, কর্মসূচি বাস্তবায়নে জীবন বাজি রাখবে তাদের নেতৃত্বে নিয়ে আসবেন। আর ফাঁকিবাজ ও নিষ্ক্রিয়দের পেছনের সারি নিয়ে যাবেন।
উপস্থিত সিনিয়র নেতাদের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আপনারা যার যার এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। দয়া করে ঢাকায় বসে পকেট কমিটি করবেন না। কারণ অনেক দিন ধরেই আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। এলাকার অনেক নেতাকেই আমি চিনি যাদের আপনারাও চিনেন না। তাই পকেট কমিটি করলেও আমি বিশ্বাস করবো না।
প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে খালেদা জিয়া বলেন, হেফাজত হত্যাকান্ড, বিডিআর হত্যাকান্ড ও যত গুম-খুনের ঘটনা ঘটেছে সব শেখ হাসিনার নির্দেশে হয়েছে। কারণ উপরের নির্দেশ ছাড়া র্যাব ও অন্যান্য এজেন্সি এসব কাজ করতে পারবে না। তাই শেখ হাসিনাকে এসবের দায় নিতে হবে।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ, জমির উদ্দিন সরকার, এস আম আব্দুল হালিম, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, আমির খশরু, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মির্জা আব্বাস পত্নী আফরোজা আব্বাস প্রমুখ।


Post a Comment
অনুগ্রহ করে বার্তাটির সম্পর্কে গঠনমূলক মন্তব্য করুন। ধন্যবাদ।